সরকারী/বেসরকারী মেরিন একাডেমি/ইন্সটিটিউট থেকে পাশ-আউটকৃত ক্যাডেটদের সিডিসি ইস্যু

সর্বশেষ আপডেট আগষ্ট ২০, ২০১৭, রবিবার

ছবিসূত্র : ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত

সেবার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

সিডিসি হল এক কথায় একজন মেরিনার এর পরিচয় পত্র বা মেরিন পাসপোর্ট যা দেখতে পাসপোর্ট এর মত। সকল মেরিনাররাই সিডিসি’র গুরুত্ব সম্পর্কে ভালো জানেন। সিডিসি হল কন্টিনিউয়াস ডিসচার্জ সার্টিফিকেট, যা একজন নাবিক, মেরিন অফিসারের পরিচয়পত্র, যেখানে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অন স্ট্যান্ডার্ডস অফ ট্রেনিং সার্টিফিকেশন এন্ড ওয়াচ কিপিং ফর সিফেয়ারস (SCTW), ১৯৭৮ আইন অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তিকে নাবিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা থাকে। এই সার্টিফিকেটে একজন নাবিকের লেখাপড়া থেকে শুরু করে ট্রেনিং এবং অভিজ্ঞতার সব কিছু লেখা থাকে। সিডিসি ছাড়া মেরিনার হওয়া সম্ভব নয়। যদি বাংলাদেশ মেরিন থেকে পাশ করা হয় তাহলে সিডিসি বাংলাদেশ সরকারি ভাবে ইস্যু করা হবে।


যাদের এই সিডিসি দেওয়া হয়ে থাকে-

  • নবীন নাবিক
  • মেরিন একাডেমী ক্যাডেট (নটিক্যাল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং)
  • ডাইরেক্ট এন্ট্রি ক্যাডেট (নটিক্যাল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং)
  • ডাইরেক্ট নটিক্যাল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসার (কম্পিটেন্সি সার্টিফিকেট আছে এমন)
  • সুপারনিউমারী (অন্যান্য)।

সাধারণত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি থেকে যারা যেসব ক্যাডেট পাশ করেন তাদের সেখান থেকেই সিডিসি প্রদান করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে। তাই যেকোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার পূর্বে তারা সিডিসি প্রদানের ব্যবস্থা রাখে কিনা তা জেনে নিতে হবে। ডিসিসি গ্রহন করে  বিদেশী ডিগ্রীধারী অফিসাররা অভ্যন্তরীণ নৌ-বাহিনীর সদস্যে পরিণত হতে পারে।

 

সেবার সুবিধা:

  • নাবিকরা জাহাজে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
  • সিডিসি থাকালে নাবিক হিসেবে বৈধ্য পরিচয় থাকে 
  • এই পরিচয়পত্র থাকলে বিদেশী বন্দরে তার কোন সমস্যা হবে না
  • নাবিক হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন।
  • বিদেশী ডিগ্রীধারী অফিসাররা অভ্যন্তরীণ নৌ-বাহিনীর সদস্যে পরিণত হন। 

প্রক্রিয়া:

পড়াশোনা চলাকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠান থেকে সেখানকার শিক্ষার্থীদের মেরিট লিস্ট ও পুলিশ ভেরিফিকেশনের লিস্ট সরকারি সমুদ্র পরিবহন অফিসে নির্দিষ্ট ফি ও ভ্যাট সহ পাঠানো হয়। সেখান থেকেই সিডিসি ইস্যু করা হয়ে থাকে। 

সেবার ক্যাটাগরি

নাগরিক সেবা

মন্ত্রনালয়

নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়

অধিদপ্তর

নৌ পরিবহন অধিদপ্তর

বিভাগ

সরকারি সমুদ্র পরিবহন অফিস

যোগ্যতা

মেরিন একাডেমী থেকে পাশ করেছে এমন শিক্ষার্থী।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট থেকে পাশ করা নবীন নাবিকদের সরকারী ডাক্তারী ও যাচাইকৃত পুলিশি প্রতিবেদনসহ তালিকা।
  • সিডিসি ইস্যুর আবেদনপত্র (নমুনা অত্র অফিস থেকে সরবরাহ করা হয়)
  • অঙ্গীকারনামা (নমুনা অত্র অফিস থেকে সরবরাহ করা হয়)
  • জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
  • চারিত্রিক ও জাতীয়তার সনদের মূলকপি
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদের সত্যায়িত ফটোকপি (এস.এস.সি)
  • সাম্প্রতিক সময়ের পাসপোর্ট সাইজের তিন কপি ও এক কপি স্ট্যাম্প সাইজের (২০X২৫ মি.মি) এর রঙ্গিন ছবি
  • সংশ্লিষ্ট নবীন নাবিক কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত বাংলা ও ইংরেজী বায়োডাটা (নমুনা অত্র অফিস থেকে সরবরাহ করা হয়)।
  • আবেদনকারীকে উপস্থিত থাকতে হয়।
  • বাংলাদেশ মার্চেন্ট শিপিং অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩ এর ধারা ১০৭ মোতাবেক সিডিসি ইস্যু করা হয়।

প্রয়োজনীয় খরচ

সিডিসি ইস্যু ফিঃ ১,০০০ টাকা

১৫০ টাকা ভ্যাট (১৫%)

পরিশোধ পদ্ধতি

সোনালী ব্যাংকে চালান ফরমের মাধ্যমে জমা।

কোড নং ১/৫২৩১/০০০১/২৬৮১

ভ্যাট কোড নং- ১/১১৩৩/০০২৫/০৩১১

সেবা প্রাপ্তির সময়

সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলে দুই-তিন দিনের মধ্যে

কাজ শুরু হবে

সরকারি সমুদ্র পরিবহন অফিসে

আবেদনের সময়

মেরিন একাডেমী থেকে পাশ করে বের হওয়ার সময়।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা:

শিপিং মাস্টার

ফোন নং- ০৩১-৭২৩৭৫৪

উপ-শিপিং মাস্টার/সহকারী শিপিং মাস্টার

ফোন নং-০৩১-৭১৬৪৪১

ফ্যাক্স নং- ০৩১-৭১০৯৮৪

ই-মেইলঃ govshippingoffice@gmail.com  

প্রয়োজনীয় লিংক

http://gso.gov.bd/index.php/portal/index/705

হেড অফিস

Shipping Master  শিপিং মাস্টার

সরকারি সমুদ্র পরিবহন অফিস

সিজিও বিল্ডিং নম্বর-০১

আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ

প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর

০৩১-৭২৩৭৫৪

প্রয়োজনীয় ইমেইল

govshippingoffice@gmail.com 

সেবা না পেলে কার কাছে যাবেন

ক) উপ-শিপিং মাস্টার, সরকারি সমুদ্র পরিবহন অফিস, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম-৪১০০ নিষ্পত্তির সময়সীমাঃ এক থেকে তিন দিন

খ) শিপিং মাস্টার, সরকারি সমুদ্র পরিবহন অফিস, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম-৪১০০

নিষ্পত্তির সময়সীমাঃ এক থেকে দুই দিন

প্রতিশ্রুত/কাঙ্খিত সেবা প্রাপ্তির জন্য করণীয়

১. নির্ধারিত ফরমে সম্পূর্ণভাবে পূরণকৃত আবেদনপত্র জমা প্রদান করা।

২. সঠিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সেবামূল্য পরিশোধ করা।

৩. সাক্ষাতের জন্য নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই উপস্থিত থাকা।

৪. অফিসের নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সেবার জন্য আবেদন করা।

৫. আপনার সেবা নিশ্চিত হওয়ার পর অপরজনের সেবা পাওয়ার জন্য সহায়তা করা।

৬. অফিস সময়ের মধ্যে সেবার জন্য আসতে হবে।

৭. অফিস সময়ের পরে বা আগে সেবা পেতে হলে অধিকালীন ফি প্রদান করতে হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: http://www.gso.gov.bd/