নারী বা শিশু পাচার হচ্ছে বুঝতে পারলে কি করবেন?

সর্বশেষ আপডেট সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৬, বৃহস্পতিবার

ছবিসূত্র : ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত

সেবার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

 

নারী ও শিশু পাচার বাংলাদেশ দণ্ডবিধিতে একটি মারাত্মক অপরাধ। বাংলাদেশে এই পাচারকারী চক্রের প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলছে। বিদেশে চাকরি বা অন্যান্য প্রলোভন দেখিয়ে অথবা অপহরণ করে অসহায় নারী ও শিশু পাচার করা হচ্ছে। পাচারকৃত নারী ও শিশুদের দিয়ে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অসামাজিক ও অনৈতিক কাজ করানো হয়ে থাকে। এই ধরনের ঘটনার শিকার হলে অথবা নারী শিশু পাচার হচ্ছে বুঝতে পারলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পুলিশকে জানাতে হবে। পুলিশের এই সেবার মাধ্যমে পাচারকৃত নারী বা শিশুকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব এবং অপরাধীকে শাস্তির মুখোমুখি করা সম্ভব। 

 

সেবার সুবিধা:

 

  • পাচারকৃত নারী বা শিশুকে ফিরে পাওয়া যায়
  • অপরাধ দমনে সহায়তা পাওয়া যায়
  • পুলিশ নাগরিক সেবা নিশ্চিত করে 
  • সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় রোধ হয়
  • পুলিশ এবং জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক সৃষ্টি হয়
  • বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে মানুষ রক্ষা পায়

 

কি করণীয় :

 

কোন পরিবারের নারী বা শিশু পাচার হলে অভিভাবক উপযুক্ত প্রমাণসহ নিকটস্থ থানায় এসে মামলা করবেন। আবেদনকারীর অভিযোগের ভিত্তিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা নিবেন। নিখোঁজ ব্যাক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব খুঁজে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপর তদন্ত করে আইনগত ভাবে চার্জশিট দাখিল করা হবে এবং চার্জশীটের ভিত্তিতে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে। আসামী গ্রেপ্তার হয়ে থাকলে ১৫ কার্যদিবস এবং পলাতক থাকলে সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবস সময়ের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে।

 

সেবা প্রাপ্তির যোগ্যতা              :  বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র             :  আবেদন পত্র

প্রয়োজনীয় খরচ                     :  বিনামূল্যে এই সেবা প্রদান করা হয়

প্রয়োজনীয় সময়                     :  ১৫ থেকে ৬০ কার্যদিবস

কাজ শুরু হবে                       :  নিকটস্থ থানা

আবেদনের সময়                   :  সারা বছর যে কোন সময়

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা               :  ওসি, এসআই/এএসআই

সেবা না পেলে কোথায় যাবেন   :  সার্কেল এ এস পি

বিস্তারিত তথ্যের জন্য             :  ১০০

প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট           :  www.police.gov.bd