নদী পথে ট্যাংকারে পেট্রোলিয়াম পরিবহণের লাইসেন্স করার উপায়

সর্বশেষ আপডেট আগষ্ট ২০, ২০১৭, রবিবার

ছবিসূত্র : ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত

সেবার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

বাংলাদেশে পেট্রোলিয়ামের চাহিদা প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। বিশেষ করে মোটরযানে ব্যাবহারের জন্য বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পেট্রোলিয়ামের প্রয়োজন পরে। পেট্রোলিয়াম সরবরাহ করার জন্য স্থল/জলপথ দুই ধরণের পথেরই ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশ বিস্ফোরক অধিদপ্তর পেট্রোলিয়াম পরিবহণ এবং মজুদের জন্য লাইসেন্স সেবা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া কোনভাবেই পেট্রোলিয়াম পরিবহণ সম্ভব নয়।

সেবার সুবিধা:

  • বিস্ফোকর অধিদপ্তরের সরাসরি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে লাইসেন্স প্রাপ্তির কারণে দক্ষ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জলপথে ট্যাংকারে পেট্রোলিয়াম পরবহণের কারণে বিপদের ঝুঁকি কম থাকে।
  • নিরাপদে পরিবহনের নিশ্চয়তা থাকার কারণে যেকোনো ধরণের বড় দুর্ঘটনা ঘটার সুযোগ কম থাকে।
  • বৈধ উপায়ে পেট্রোলিয়াম পরিবহনের কারণে অবৈধ কাজ ঘটার সম্ভাবনা কম থাকে।

প্রক্রিয়া:

সকল ধরণের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং লাইসেন্স ফি প্রদানের মাধ্যমে সরাসরি বিস্ফোরক অধিদপ্তরে নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হয়। এরপর সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে অনুমতি প্রদান করেন। বাকি সকল কাজ সম্পন্ন হবার পরে সরকারি কর্তৃপক্ষ সরাসরি পরিদর্শনের মাধ্যমে অধিদপ্তরে একটি রিপোর্ট পেশ করেন। সে রিপোর্ট অনুযায়ী বিস্ফোরক দপ্তর প্রধান লাইসেন্স মঞ্জুরের ব্যাপারে সিদ্ধ্বান্ত গ্রহণ করেন।    

সেবার ধরন

নাগরিক সেবা

মন্ত্রণালয়

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

বিভাগ

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ

অধিদপ্তর

বিস্ফোরক অধিদপ্তর

যোগ্যতা

যেকোন  প্রত্যাশী সংস্থা

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১) সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে আবেদনপত্র।

২) প্রস্তাবিত জলযানের/ট্যাঙ্কারের নকশার কপি।

৩) বিআইডব্লিউটিএ-এর অনাপত্তিপত্র এবং স্বাক্ষর করা নকশা।

৪) সঠিকভাবে পূরণ এবং স্বাক্ষর করা ডি ফরম।

৫) জাতীয় পরিচয়পত্র/নাগরিকত্বের সনদপত্রের কপি।

৬) নৌপরিবহণ দপ্তর থেকে পাওয়া নিবন্ধন পত্রের সত্যয়িত কপি।

৭) নির্দিষ্ট লাইসেন্স ফি।

প্রয়োজনীয় খরচ

১) প্রথম প্রতি ৪০০ টনের জন্য ১৫০০ টাকা জমা দিতে হবে।

২) ৪০০ টনের পর প্রতি টনের বা তার কম ওজনের  জন্য  ১৫০ টাকা হারে জমা দিতে হবে।

সেবা প্রাপ্তির সময়

১) যদি নকশা অনুমোদন যোগ্য হয়ে তাহলে আবেদন পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সেটি অনুমোদন করা হয়।

২) নির্মাণ শেষ হবার প্রতিবেদন পাওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত স্থান সরাসরি পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনের পর যদি দেখা যায় সকল কিছু পূর্ব নকশা অনুযায়ী হয়েছে তখন বিস্ফোরক অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তি লাইসেন্স মঞ্জুর করেন।

আবেদনের সময়

সারা বছর

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

 প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক

যোগাযোগঃ  ৯৩৪৫২৫৮

সেবা না পেলে কার কাছে যাবেন

সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক

 

বিস্তারিত তথ্যের জন্য ভিজিট করুন: http://www.explosives.gov.bd

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

বিস্ফোরক অধিদপ্তর,

সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০।