খনিজ ইজারা নেওয়ার জন্য যা করবেন

সর্বশেষ আপডেট আগষ্ট ২০, ২০১৭, রবিবার

ছবিসূত্র : ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত

সেবার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

১৯৯২ খনিজ আইন অনুযায়ী খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে আগ্রহী যেকোন প্রতিষ্ঠানকে সরকারিভাবে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো এ সম্পর্কিত লাইসেন্স দিয়ে থাকে।

সেবার সুবিধা:

 

  • খনিজ সম্পদ বাংলাদেশের অত্যন্ত মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ,এর ফলে এই সম্পদ সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ সম্ভব হয়।
  • বিনা লাইসেন্সে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান আইনত দন্ডনীয় হওয়ায় সকল ধরণের আইনী জটিলতা থেকে মুক্ত থাকা যায়।
  • প্রয়োজনে সরকারী সাহায্য পাওয়া যায়।

 

প্রক্রিয়া:

খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান করতে ইচ্ছুক ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার আগে সরকারী দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির মাধ্যমে সরাসরি আবেদনকৃত স্থান যাচাই করতে হবে। অনুমোদনযোগ্য হলে সরকারী অনুমতির জন্য জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ  বিভাগে আবেদনটি পাঠানো হয়। তারপর যাবতীয় তদন্তের পর আবেদনকারীর সাথে সরাসরি চুক্তি অনুযায়ী লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়।  

সেবার ধরন

নাগরিক সেবা

মন্ত্রণালয়

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

বিভাগ

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ

অধিদপ্তর

খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো

যোগ্যতা

ইজারা নিতে আগ্রহী ব্যাক্তী বা প্রতিষ্ঠান

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১)আবেদন ফি জমা দেওয়ার ট্রেজারি চালানের কপি।

২)২০০ হেক্টরের বেশি নয় এমন এলাকার স্কেচ প্ল্যান- ০৫ কপি।

৩)২০০ হেক্টরের বেশি এলাকার জন্য জরিপ অধিদপ্তরের টপোগ্রাফিক শিট/ এলজিইডি মানচিত্র।

৪)আবেদনকৃত এলাকার অক্ষাংশ,দ্রাঘিমাংশ দেখানো স্কেচ প্ল্যান।

৫)মালিকের নাম সহ আবেদনকৃত জমির তফসিল।

৬)আবেদনকারীর সত্যয়িত ছবি- ০৩ কপি।

৭)স্থানীয় আবেদনকারী হলে, তার জাতীয় পরিচয়পত্র/ নাগরিকতার সনদপত্রের কপি।

৮)আবেদনকারীর ট্রেড লাইসেন্স।

৯)আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক সচ্ছলতার সনদ।

১০)আবেদন কারীর টি,আই,এন সনদ।

১১)বিদেশি কোম্পানী হলে তাদের কার্যকর পাসপোর্টের কপি।

১২)বিদেশি কোম্পানীর আইনানুগ প্রমাণপত্র।

১৩)বিদেশি কোম্পানীর ক্ষেত্রে বাংলাদেশে নিবন্ধনের সনদ।

খনি ইজারা নিতে আগ্রহী ব্যাক্তী বা প্রতিষ্ঠানকে উপরের কাগজপত্র ছাড়াও আরো যে যে কাগজ জমা দিতে হবে-

ক)সম্পূর্ণ খনি খনন পরিকল্পনা।

খ)খনি খনন পরিকল্পনায় নীচে বর্ণিত তথ্য দিতে হবে-

১)ইজারাদারের সম্পূর্ণ ব্যায়ের বিবরণ।

২)এলাকার বিস্তারিত ভূতাত্ত্বিক বিবরণসহ খনিজের মজুদ দেখানো ১সেন্টিমিটারঃ১ কিলোমিটার স্কেলের মানচিত্র।

৩)অবস্থান ও প্রধান মজুদসমূহের বিবরণসহ মানচিত্র।

৪)সমীক্ষা প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে সম্ভাব্য মজুদের পরিমাণ।

৫)খনির নুন্যতম উৎপাদন হার।

৬)কি কি যন্ত্র কোন পদ্ধতিতে ব্যাবহার হবে তার বর্ণনা।

৭)খনি খননের বিভিন্ন স্তরে প্রশিক্ষিত জনবলের হিসাব।

৮)খনি খনন পরিকল্পনার বিভিন্ন ধাপের সম্ভাব্য ব্যয়।

৯)আশেপাশের ভূমিগর্ভস্থ স্থাপনার অবস্থানসহ মানচিত্র।

গ)খনি ও খনিজ সম্পদ বিধিমালা ২০১২ অনুযায়ী সকল বকেয়া পরিশোধ।

ঘ)ইসিসি থেকে প্রদান করা ছাড়পত্র।

প্রয়োজনীয় খরচ

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই সেবা দেওয়া হয়।

সেবা প্রাপ্তির সময়

সরকারী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যেই এই সেবা প্রদান করা হয়।

কাজ শুরু হবে

খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো

আবেদনের সময়

সারা বছর 

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

পরিচালক(উপ-সচিব)

ফোনঃ ৯৩৪৬১৯৪

সেবা না পেলে কার কাছে যাবেন

সহকারী পরিচালক(ভূতত্ব)

মোবাইলঃ ০১৭১১২০৬৫০৬

 

বিস্তারিত তথ্যের জন্য ভিজিট করুন:  http://bomd.gov.bd/