কিভাবে মোটরযানের জ্বালানীর জন্য ট্যাংকে পেট্রোলিয়াম মজুদের লাইসেন্স করবেন

সর্বশেষ আপডেট আগষ্ট ২১, ২০১৭, সোমবার

ছবিসূত্র : ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত

সেবার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

বাংলাদেশে মোটরযানের জ্বালানী হিসেবে অনেক আগে থেকেই পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ ব্যাবহার হয়ে আসছে। এই পদার্থের চাহিদা প্রতিদিন ব্যাপক তাই প্রচুর পরিমাণে এটি মজুদ করার প্রয়োজন পড়ে। তার জন্য লাইসেন্স প্রাপ্তির মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট স্থানে এটিকে মজুদ করতে হয়।

সেবার সুবিধা:

  • পেট্রোলিয়াম যেহেতু একটি দাহ্য পদার্থ তাই এর মজুদ নিরাপদ থাকা প্রয়োজন।
  • পেট্রোলিয়াম মজুদের জন্য নিরাপদ স্থান এবং দক্ষ জনবলের প্রয়োজন, নাহলে যেকোনো সময় বড় রকমের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে।
  • সরকারের বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সরাসরি হস্তক্ষেপ থাকায় যথাযথ লাইসেন্স প্রাপ্তির মাধ্যমে ট্যাংকের পেট্রোলিয়াম মজুদে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
  • যেহেতু যথাযথ সরকারি কর্তৃপক্ষ সরাসরি পরিদর্শনের মাধ্যমে লাইসেন্স ইস্যু করে থাকেন সেহেতু অবৈধ বা মেয়াদবিহীন ট্যাংকে পেট্রোলিয়াম সংগ্রহ সম্ভব হয়না।
  • অবৈধ পেট্রোলিয়াম মজুদ বন্ধ হয়। এর ফলে রাষ্ট্র এবং জনগণ দুপক্ষই লাভবান হয়।

প্রক্রিয়া:

ট্যাংকে পেট্রোলিয়াম মজুদে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানকে সকল ধরণের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিস্ফোরক অধিদপ্তরে জমা প্রদান করতে হয়। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পরীক্ষার পর এবং নকশা অনুযায়ী সকল কিছু সরাসরি পরিদর্শনের পর বিস্ফোরক অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লাইসেন্স এর অনুমতি মঞ্জুর করেন। 

সেবার ধরন

নাগরিক সেবা

মন্ত্রণালয়

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

বিভাগ

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ

অধিদপ্তর

বিস্ফোরক অধিদপ্তর

যোগ্যতা

যেকোন প্রত্যাশী সংস্থা

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১) সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে আবেদনপত্র।

২) ফিলিং স্টেশনের নকশা- ৫ কপি

৩)প্র তিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স

৪) জাতীয় পরিচয়পত্র বা নাগরিকত্বের সনদপত্র

৫) সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের অনাপত্তিপত্র

৬) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের অনুমতিপত্র

৭) সঠিকভাবে পূরণ এবং স্বাক্ষর করা ফরম।

৮) ইচ্ছুক প্রতিষ্ঠানের মালিকের সত্যয়িত ছবি – ৩ কপি

৯) ফিলিং স্টেশনের জমির মালিকানার সত্যয়িত দলিলের কপি।

১০) সড়ক ও জনপথ বিভাগের অনুমতি পত্র

১১) নির্দিষ্ট লাইসেন্স ফি

প্রয়োজনীয় খরচ

ফিলিং স্টেশনের লাইসেন্স ক্ষমতা অনুযায়ী প্রতি ১ হাজার লিটার বা তার থেকে কম হলেও ৫০ টাকা হারে লাইসেন্স ফি হিসেবে জমা দিতে হবে।

*এই দপ্তরের ট্রেজারি চালান জমা হিসাবের কোড নং ১-৪২৩২-০০০০-১৮৫৪

সেবা প্রাপ্তির সম 

১)আবেদন পাবার ৪৫ দিনের মধ্যে যদি নকশা অনুমোদন যোগ্য হয়, তাহলে সেই সময়ের ভেতর নকশার অনুমতি দেওয়া হয়।

২)নির্মাণ শেষের প্রতিবেদন পাবার পর সরাসরি পরিদর্শন করা হয়।

এবং সকল কিছু যদি পূর্বের নকশা অনুযায়ী করা হয় তাহলে লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়।

আবেদনের সময়

সারা বছর যেকোন সরকারি কার্য দিবস।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

 প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক

যোগাযোগঃ  ৯৩৪৫২৫৮

সেবা না পেলে কার কাছে যাবেন

সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক

 

বিস্তারিত তথ্যের জন্য ভিজিট করুন: http://www.explosives.gov.bd

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

বিস্ফোরক অধিদপ্তর,

সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০।